ক্যাপ্টেনের দূরদর্শী লক্ষ্য

বিশ্ব শিপিং শিল্পে কয়েক দশকের অতুলনীয় অভিজ্ঞতা এবং এক যুগান্তকারী দূরদর্শী চিন্তাধারা নিয়ে ক্যাপ্টেন কিবরিয়া বাংলাদেশকে বিশ্বের এক অনন্য মেরিটাইম হাব হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, যা বৈশ্বিক অঙ্গনে উদ্ভাবন, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির এক অনুকরণীয় মডেলে পরিণত হবে।

আন্তর্জাতিক শিপিং কাঠামোর ওপর অগাধ পাণ্ডিত্য ও কৌশলগত দক্ষতা ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়াকে এই দৃঢ় বিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ করেছে যে, বাংলাদেশ প্রথাগত খাতগুলোকে ছাড়িয়ে একটি বৈশ্বিক মেরিটাইম বিপ্লব ঘটাতে পারে এবং ভবিষ্যতের অবিসংবাদিত “মেরিটাইম সিটি” হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে; যেখানে অত্যাধুনিক বৈশ্বিক মডেল, টেকসই কর্মপদ্ধতি ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের জন্য বার্ষিক ১৫০ বিলিয়ন ডলারের অভাবনীয় রাজস্ব আয়ের পথ উন্মোচনসহ এক ঐতিহাসিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে বদ্ধপরিকর, যা কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়।

ক্যাপ্টেন কিবরিয়া বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতের অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি ও কৌশলগত উপকূলীয় সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে এক বিশাল অর্থনৈতিক রূপান্তরের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে তৈরি পোশাক শিল্পকেও (RMG) ছাড়িয়ে এই খাতটি দেশের প্রধান রাজস্ব ইঞ্জিনে পরিণত হবে; তাঁর এই তথ্যনির্ভর রূপরেখা—আধুনিক লজিস্টিকস, বন্দর আধুনিকায়ন এবং ব্লু-ইকোনমি উদ্ভাবনের মাধ্যমে একটি রূপান্তরমূলক ১৫০ বিলিয়ন ডলারের মেরিটাইম অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে, যা নীতি সংস্কার, বৈদেশিক বিনিয়োগ ও দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে তৈরি পোশাক শিল্পের চেয়েও অধিকতর টেকসই এবং সম্প্রসারণযোগ্য অবদান নিশ্চিত করবে।

এই লক্ষ্যমাত্রা কেবল প্রতিযোগিতার উর্ধ্বে নয়—বরং এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য গতিপ্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে জাতীয় অগ্রাধিকারসমূহকে পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে এক অভূতপূর্ব সমৃদ্ধির পথ উন্মোচন করে; যেখানে ক্যাপ্টেন কিবরিয়ার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ কেবল তার অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যই আনবে না, বরং একটি শক্তিশালী মেরিটাইম পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়ে ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব এবং ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর জন্য সাম্যভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

এই পরিকল্পনাটি বাংলাদেশকে বিশ্ব সামুদ্রিক বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলাসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অবকাঠামোগত আধুনিকায়ন এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির লক্ষ্য ধারণ করে; যেখানে ক্যাপ্টেন কিবরিয়ার অদম্য নিষ্ঠা এবং সুপরীক্ষিত নেতৃত্ব দেশটিকে এক অভূতপূর্ব সামুদ্রিক আধিপত্যের যুগে প্রবেশ করাতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে, যা একটি প্রগতিশীল ও সমৃদ্ধ “নতুন বাংলাদেশ” বিনির্মাণে সরকারের ভিশনের সাথে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এটি কেবল একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়—বরং বিশ্বব্যাপী শিপিং সেক্টরে দীর্ঘ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রমাণের ভিত্তিতে সুপরিকল্পিত এক মিশন; ক্যাপ্টেন কিবরিয়ার এই অটল সংকল্প বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনাকেই প্রতিফলিত করে, যা দেশের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনে এক দৃঢ়, অপ্রতিরোধ্য এবং অনিবার্য অভিযাত্রা।

পরিবর্তনের সুবাতাস বইছে এখনই— ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়ার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ অগ্রসর হোক মেরিটাইম-নির্ভর এক সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পানে, যেখানে আমাদের প্রতিটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা রূপান্তরিত হবে কালজয়ী এক ঐতিহ্যে।

মানবতার কল্যাণে "ফাইভ-জিরো ভিশন"

২০১৫ সালে সূচিত এই সামাজিক রূপরেখাটি পাঁচটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বজনীন কল্যাণে আমূল পরিবর্তন সাধনের সংকল্প ব্যক্ত করে:

১. ভিক্ষাশূন্য সমাজ: দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তির টেকসই অবসান
২. নিরক্ষরতামুক্ত সমাজ বিনির্মাণ (সর্বজনীন শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ)।
৩. দক্ষ ও বেকারমুক্ত সমাজ গঠন (বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি)।
৪. সুচিকিৎসার অভাবে শূন্য মৃত্যুহার: সাম্য ও গুণগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ।
৫. শূন্য গৃহহীনতা (সবার জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতকরণ)।

পদ্ধতিগত পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগটি মমতা ও কার্যকর কৌশলের সমন্বয় ঘটায়, যা মর্যাদা ও সাম্য নিশ্চিত করে এমন এক বিশ্ব গড়ার ডাক দেয় যেখানে প্রতিটি মানুষের অগ্রগতি নিশ্চিত হবে।